FaxianAI Tools / বাড়তি টুল / EXIF ভিউয়ার ও রিমুভার

EXIF ভিউয়ার ও রিমুভার

ছবির ভেতরের লুকানো মেটাডেটা প্রকাশ করুন — আর শেয়ার করার আগে তা মুছে ফেলুন।

EXIF ভিউয়ার ও রিমুভার visual example
গোপনীয়তাই প্রথম: কিছুই আপলোড হয় না।

মূল থেকে ফলাফল পর্যন্ত

ফাইল বেছে নিন, পরিবর্তন করুন এবং ফলাফল ডাউনলোড করুন। প্রসেসিং আপনার ব্রাউজারেই থাকে।

EXIF ভিউয়ার ও রিমুভার: 1 · ফাইল বেছে নিন
1 · ফাইল বেছে নিন
EXIF ভিউয়ার ও রিমুভার: 2 · সমন্বয় করে প্রসেস করুন
2 · সমন্বয় করে প্রসেস করুন
EXIF ভিউয়ার ও রিমুভার: 3 · ফলাফল ডাউনলোড করুন
3 · ফলাফল ডাউনলোড করুন

ছবি নিঃশব্দে মেটাডেটা বহন করে: কোথায় তোলা (GPS), কখন, কোন ফোন বা ক্যামেরায়, কখনও কখনও মালিকের নামও। ফাইলটা শেয়ার করলেন তো এসবও শেয়ার হয়ে গেল। এই টুল দেখায় ভেতরে ঠিক কী আছে, গোপনীয়তা-সংবেদনশীল ফিল্ডগুলো চিহ্নিত করে, আর প্রতিটি বাইট মেটাডেটা মুছে দেওয়া একটি পরিচ্ছন্ন কপি দেয়।

গোপনীয়তার টুলের যেমন হওয়া উচিত, এটি সম্পূর্ণভাবে আপনার ব্রাউজারে চলে — যে ছবিটি পরীক্ষা করছেন সেটি কোথাও আপলোড হয় না।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

  1. একটি ছবি যোগ করুনফোন ও ক্যামেরার JPG ছবিতেই সবচেয়ে বেশি মেটাডেটা থাকে।
  2. ভেতরে কী আছে দেখুনGPS স্থানাঙ্ক ও পরিচয়ের ফিল্ডগুলো চিহ্নিত করা হয়; বাকি সব নিচে তালিকায় থাকে।
  3. পরিচ্ছন্ন কপি ডাউনলোড করুনএক ক্লিকে দেখতে হুবহু একই কিন্তু শূন্য মেটাডেটার ছবি সংরক্ষণ হয়।

আপনার ছবিতে কী EXIF ডেটা লুকিয়ে আছে

আপনার ফোন বা ক্যামেরার সেভ করা প্রতিটি ছবির সঙ্গে EXIF নামের এমবেডেড মেটাডেটার একটা ব্লক থাকে। তাতে লেখা থাকে ক্যামেরার ব্র্যান্ড ও মডেল, এক্সপোজার সেটিংস, ছবি তোলার সঠিক তারিখ-সময়, ব্যবহার করা এডিটিং সফটওয়্যার, আর প্রায়ই আপনি ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে ছিলেন তার GPS কোঅর্ডিনেট। এই EXIF ভিউয়ার exifr দিয়ে ব্রাউজারেই তার সবটা পড়ে, ফলে পোস্ট করার আগেই দেখে নিতে পারেন একটা JPEG দুনিয়াকে ঠিক কী কী বলছে।

টুলটি প্রাইভেসি-স্পর্শকাতর ঘরগুলো আপনার জন্য হাইলাইট করে — সবার আগে GPS লোকেশন। বাড়িতে তোলা ছবিতে কোঅর্ডিনেট থেকে গেলে, যে-ই সেটা ডাউনলোড করবে সে-ই ম্যাপে আপনার ঠিকানা চিহ্নিত করতে পারবে। মেটাডেটা যাচাই করতে কয়েক সেকেন্ড লাগে, আর কোনো ফাইলের জন্য ঝুঁকিটা সত্যি কি না তা জানিয়ে দেয়।

ছবিতে হাত না দিয়ে মেটাডেটা মুছুন

পরিষ্কার কপি চাইলে রিমুভার ছবিটাকে HTML canvas-এর মধ্য দিয়ে রি-এনকোড করে। সেই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি EXIF, GPS আর সফটওয়্যার ট্যাগ ঝরে যায়, অথচ চোখে দেখা পিক্সেলগুলো অক্ষত থাকে — এক্সপোর্ট করা ফাইল দেখতে হুবহু এক, কিন্তু কোনো লুকানো ইতিহাস বহন করে না। পুরোটা আপনার ডিভাইসে চলে, কিছুই আপলোড হয় না।

স্ক্রিনশট, প্রোডাক্ট শট বা ক্যামেরার ছবি প্রকাশ্যে শেয়ারের এটাই নিরাপদ উপায়। অনলাইনে EXIF ডেটা সরান, পরিষ্কার সংস্করণ ডাউনলোড করুন, আর লোকেশন-টাইমস্ট্যাম্প চলে গেছে জেনে নিশ্চিন্তে পোস্ট করুন।

মানুষ এটা যেসব কাজে ব্যবহার করে

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের আগে — বাড়িতে তোলা ছবি থেকে GPS মুছুন, যাতে ফলোয়াররা বের করতে না পারে আপনি কোথায় থাকেন।

মার্কেটপ্লেসে বিক্রি — Facebook Marketplace বা eBay-তে তোলার আগে লিস্টিংয়ের ছবি থেকে লোকেশন ও ক্যামেরার সিরিয়াল সরান।

ডাউনলোড করা ছবি যাচাই — কেউ পাঠানো ছবির মেটাডেটা দেখে জানুন সেটা আসলে কখন, কোথায় তোলা।

সাংবাদিক ও সূত্র — হাতবদলের আগে ছবি থেকে শনাক্তকারী মেটাডেটা মুছে ছবি-তোলা ব্যক্তিকে রক্ষা করুন।

দাবি যাচাই — ছবির টাইমস্ট্যাম্প আর ক্যামেরা মডেল পড়ে মিলিয়ে নিন সেটা সত্যিই কখন তোলা।

ক্লায়েন্টের জন্য ব্যাচ পরিষ্কার — তৈরি ছবি থেকে EXIF মুছুন, যাতে ডেলিভারেবলে এডিটিং সফটওয়্যার বা ডিভাইসের তথ্য ফাঁস না হয়।

রিয়েল এস্টেট ও ভাড়া — অন্দরের ছবি থেকে GPS কোঅর্ডিনেট সরান, নইলে সম্পত্তির সঠিক অবস্থান ফাঁস হয়ে যেত।

ব্যক্তিগত প্রাইভেসি অডিট — আর্কাইভ বা শেয়ারের আগে নিজের ফটো লাইব্রেরি স্ক্যান করে দেখুন কোন ছবিতে এখনো লোকেশন রয়ে গেছে।

কেন tools.faxianai.com

GPS সতর্কতা

কোন ছবি তোলার জায়গা ফাঁস করছে তা সঙ্গে সঙ্গে চিহ্নিত করে।

সম্পূর্ণ মুছে ফেলা

পরিচ্ছন্ন কপিতে কোনো EXIF, XMP বা থাম্বনেইল থাকে না।

সত্যিকারের গোপনীয়

পরীক্ষাটাই হয় শুধু আপনার ডিভাইসে।

কোয়ালিটি অটুট

দৃশ্যমান ছবিটি উচ্চ মানে নতুন করে এনকোড হয়।

প্রশ্নোত্তর

ছবিতে কী কী মেটাডেটা থাকে?
সাধারণত ক্যামেরার ব্র্যান্ড/মডেল, এক্সপোজার সেটিং, তোলার সময়, সফটওয়্যার, আর ফোনে প্রায় সব সময়ই GPS স্থানাঙ্ক। কিছু ফাইলে লেখকের নামও থাকে।
EXIF মুছলে কি ছবির চেহারা বদলায়?
না। পিক্সেলগুলো উচ্চ মানে নতুন করে এনকোড হয়; যায় শুধু অদৃশ্য মেটাডেটা।
শেয়ারের আগে EXIF মুছব কেন?
শেয়ার করা ছবির GPS ডেটা আপনার বাড়ি বা কর্মস্থল ফাঁস করে দিতে পারে। বেশিরভাগ সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এটা মুছে দেয় — কিন্তু ইমেইল, ক্লাউড ড্রাইভ ও চ্যাট অ্যাপ প্রায়ই দেয় না।
স্ক্রিনশটে কি কাজ করে?
স্ক্রিনশটে সাধারণত মেটাডেটা কমই থাকে, তবে পরীক্ষা করে দেখতেই পারেন — ভিউয়ারের কাজই তো সেটা।
কোন কোন মেটাডেটা ফিল্ড দেখায়?
স্ট্যান্ডার্ড EXIF ট্যাগ পড়ে — ক্যামেরার ব্র্যান্ড ও মডেল, লেন্স, এক্সপোজার টাইম, ISO, অ্যাপারচার, মূল তারিখ-সময়, ওরিয়েন্টেশন, এডিটিং সফটওয়্যার, আর থাকলে GPS অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ। যে ফিল্ডগুলো আপনার পরিচয় বা অবস্থান ফাঁস করতে পারে, সেগুলো আলাদা করে চিহ্নিত থাকে।
EXIF সরালে কি ছবির মান বদলায়?
দৃশ্যমান ছবিটা একই থাকে। রিমুভার মেটাডেটা ফেলতে ফাইলটাকে canvas দিয়ে রি-এনকোড করে, তাই JPEG-এর ক্ষেত্রে স্বাভাবিক একটা রি-কমপ্রেশন ধাপ থাকে, কিন্তু স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটিতে ফলাফল দৃশ্যত অভিন্ন।
স্ক্রিনশটে EXIF নেই কেন, অথচ ক্যামেরার ছবিতে আছে?
স্ক্রিনশট তৈরি করে অপারেটিং সিস্টেম, তাতে ক্যামেরা বা GPS ট্যাগ কমই থাকে; কিন্তু ফোন বা DSLR-এর ছবিতে পুরো EXIF ব্লক থাকে — লোকেশন সার্ভিস চালু থাকলে লোকেশনসহ। এজন্যই ক্যামেরার ফাইল সাধারণত পরিষ্কার করতে হয়, স্ক্রিনশট প্রায়ই লাগে না।
GPS মুছে বাকি ডেটা রাখা যায়?
রিমুভার সব মেটাডেটা মুছে সম্পূর্ণ পরিষ্কার কপি বানায়, বেছে বেছে এডিট নয়। শুধু ডেটা দেখতে চাইলে ভিউয়ার ব্যবহার করুন — সেটি ফাইল না বদলে প্রতিটি ফিল্ড দেখায়।
কোন ইমেজ ফরম্যাট এখানে চলে?
ক্যামেরা ও ফোনের JPEG আর PNG-ই সাধারণ ক্ষেত্র, ঠিকঠাক পড়া যায়। HEIC আর কিছু RAW ফরম্যাট দেখার ক্ষেত্রে পুরোপুরি সাপোর্টেড নাও হতে পারে, কারণ ব্রাউজারে ওগুলোর ডিকোডিং সীমিত।
মূল ফাইল কি কোথাও আপলোড হয়?
না। মেটাডেটা পড়া আর পরিষ্কার কপি বানানো — দুটোই আপনার ব্রাউজারে লোকালি ঘটে, ফাইল কখনো ডিভাইস ছেড়ে বেরোয় না।

সম্পর্কিত টুল

গাইড ও টিপস